JOURNEY WITH TREASURES OF INNOCENCE

Comment

Blog

ARIT KUMAR ROY

Intern / Tata Institute of Social Science

 

Treasures of Innocence  (ToI ) সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশু-কিশোরদের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছে। এইসব শিশু-কিশোরদের জীবনকে উন্নত করে তুলতে  ToI বদ্ধপরিকর। ওরাও যাতে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতে শেখে এবং সাহস, কৌতূহল, আত্মবিশ্বাস এবং সৃজনশীলতায় ভর করে সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে পারে তা শেখানোই ToI এর মূল লক্ষ্য। ToI বর্তমানে কলকাতার সর্ব শিক্ষা মিশন পরিচালিত এবং সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত  ১০টি  স্কুলের পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র- ছাত্রীদের আত্মবিকাশের জন্য কাজ করছে । এইসব স্কুলের ছাত্র- ছাত্রীরা মূলত first generation learners.

 

Treasures of Innocence এর Catch Them Young প্রয়াসটি হলো এমন একটি সামাজিক প্ল্যাটফর্ম যেখানে সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশু-কিশোররা আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের সৃজনশীলতাকে মেলে ধরতে পারে। ‘I CAN’ সেন্সটা তাদের মধ্যে গড়ে উঠতে পারে।

ইন্টার্ন হিসেবে এই সংস্থার সাথে যুক্ত হয়ে আমার খুব ভালো লেগেছে। পড়াশুনোর পাশাপাশি সমাজ সচেতনতা, স্বাস্থ্য সচেতনতা, সৃজনশীলতা, দক্ষতা এবং আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন শিক্ষামূলক ভিডিও দেখানো হয় ToI এর ক্লাসে। এছাড়াও বাচাদের সাথে বন্ধুত্ব করা, তাদের সমস্যা সম্পর্কে জানা এবং তাদের সেই সমস্যা সমাধানের যথাসাদ্ধ চেষ্টা করে চলেছে ToI।

এই Catch Them Young প্রজেক্টে কাজ করে আমিও অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। বাচাদের সাথে আমি সুন্দর সম্পর্ক স্থাপন করতে পেরেছি এবং প্রজেক্ট রিলেটেড যা শিক্ষা ছিল সেটি তাদের বোঝাতে সাহায্য করেছি।

Catch Them Young এর প্রাথমিক পর্যায়ে দশটি স্কুলের পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের একটি  MCQ test নেওয়া হয় বিভিন্ন বিষয়ের উপর এবং একটি art competition ও করানো হয় শেখানো বিষয়ের উপর।  আমি ToI এর বাকি সদস্যদের সাথে থেকে শিখেছি কিভাবে একটি পরীক্ষার হল সামলাতে হয়। পরীক্ষার সময় যাতে তাদের কোনো অসুবিধা না হয় আমি সেই  দিকে লক্ষ্য রেখেছি।

 

 

ToI এর প্রত্যেক সদস্যই  খুব কোঅপারেটিভ এবং তাদের সাথে বাকিদের এবং বাচাদের সম্পর্ক খুবই ভালো যেটি তাদের এই প্রজেক্ট ও সংস্থার জার্নিকে আরো সাফল্যমন্ডিত করে তুলেছে সাহায্য করেছে।

আমি বিভিন্ন রকম আর্ট এন্ড ক্র্যাফট এর কাজ শিখতে পেরেছি যা আমাকে অনেক সমৃদ্ধ করেছে। এছাড়াও শিখেছি সময়ানুবর্তীতা এবং সকলের সাথে মিলিত ভাবে কাজ করতে। ToI এর প্রতিষ্ঠাতা রানীদির কাছ থেকেও আমি অনেক কিছু শিখেছি, জীবনে এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা পেয়েছি প্রতিনিয়ত।  আশা করি পরবর্তী কালে এই সব শিক্ষা আমার কাজে লাগবে। আমি ToI এর ভবিষ্যৎ কর্মকান্ডের  সাথেও যুক্ত থাকতে চাই।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *